
ভাইয়ের সঙ্গে আছি, কিছু করি না। পেশা সম্পর্কে জানতে চাইলে এমন উত্তরই দেন কেউ কেউ। অথচ এলাকায় তাঁদের পরিচিতি মাস্তান ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবে। ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, চাঁদাবাজি ও দখলবাজির মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। আদায় করা অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। প্রভাবশালী এসব ব্যক্তির ভয়ে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অনেকেই চাপে থাকেন।
শহর-বন্দর থেকে গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজধানী ঢাকার অলিগলিতে সক্রিয় চাঁদাবাজদের কারণে ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা দিশাহারা। তাঁদের দিনে অন্তত তিনটি গ্রুপকে চাঁদা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী ভয়ে এলাকা ছেড়ে থাকছেন। নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ থেকেও পিছিয়ে যাচ্ছেন অনেকে।
চাঁদাবাজদের প্রভাব রয়েছে ব্যাংকঋণ বিতরণেও। অভিযোগ রয়েছে, কোনো ঋণের প্রক্রিয়া শুরু হলেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের খবর দিতে চাপ দেওয়া হয়। ব্যাংক ম্যানেজারদেরও শাসানো হয়। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এসব নেটওয়ার্কের কারণে ঋণপ্রক্রিয়ায় তাঁদের হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

It is the fact in Bangladesh